হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

 

হাম সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি ইউনূস সরকার। সম্প্রতি একটি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

 

প্রশ্ন: প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।

 

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।

 

তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

১৬ লাখেরও বেশি হাজি আজ মঙ্গলবার আরাফার ময়দানে সমবেত হয়েছেন, যা হজযাত্রার সবচেয়ে পবিত্র ও আধ্যাত্মিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচিত। সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এই দৃশ্যকে গভীর ভক্তি ও প্রার্থনার পরিবেশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

 

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ভোর থেকে হাজিরা আরাফাতে প্রবেশ করতে শুরু করেন। তারা সারা দিন সেখানে ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, আল্লাহর স্মরণ ও দোয়ার মাধ্যমে সময় কাটাবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্ধারিত সীমার মধ্যে অবস্থান করবেন।

 

ইসলামি ঐতিহ্যে আরাফাতে অবস্থান (ওকুফে আরাফা) হজের মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “হজ হলো আরাফা”, যা এই দিনের গুরুত্বকে নির্দেশ করে।

 

ইসলামি আলেমদের মতে, এই দিনটি ইসলামি বর্ষপঞ্জির সবচেয়ে পবিত্র দিনগুলোর একটি, যা রহমত, ক্ষমা এবং আত্মিক পরিশুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায় হজের সঙ্গেও সম্পর্কিত, যেখানে তিনি আরাফার ময়দানে তার শেষ খুতবা প্রদান করেছিলেন এবং ন্যায়বিচার, মানবসমতা ও জীবন ও সম্পদের পবিত্রতার শিক্ষা দিয়েছিলেন।

 

দুপুরে আরাফার খুতবা প্রদান করা হবে, যেখানে হাজিদের ধর্মীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে এবং এই দিনের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে। এরপর তারা জোহর ও আসর নামাজ একসঙ্গে ও সংক্ষিপ্তভাবে আদায় করবেন, যা নবীর সুন্নাহ অনুসরণ।

 

সারা দিন হাজিরা দোয়ার জন্য হাত তুলবেন, তালবিয়া ও তাকবির পাঠ করবেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করবেন—একটি গভীর বিনয় ও আত্মসমীক্ষার পরিবেশে।

 

মক্কা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত আরাফাত একটি উন্মুক্ত সমতলভূমি, যার কেন্দ্রে রয়েছে জাবালে রহমত (মাউন্ট অব মার্সি)। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, এটি আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-এর পুনর্মিলনের স্থান হিসেবে পরিচিত এবং বিশ্ব মুসলিমদের কাছে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ।

 

এর আগে হাজিরা মিনায় ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ পালন করেন, যেখানে তারা হজের সবচেয়ে কঠিন অংশের জন্য শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নেন।

 

সৌদি কর্তৃপক্ষ হাজিদের নিরাপদ চলাচল ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া ইউনিট।

 

তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে হাজিদের পর্যাপ্ত পানি পান ও সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

 

সূর্যাস্তের পর হাজিরা আরাফাত থেকে মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেন, যেখানে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন এবং পরবর্তী রীতিনীতির আগে রাতটি ইবাদত ও বিশ্রামে কাটাবেন।

 

সূত্র: আরব নিউজ

আরাফার ময়দানে সমবেত ১৬ লাখেরও বেশি হাজি

সৌদি আরবে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। আজ সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র মক্কা নগরী।

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো মুসলমান এখন তাঁবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনাতে সমবেত হচ্ছেন। আজ দুপুর পর্যন্ত হাজিদের মিনায় পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলবে বলে জানিয়েছে সৌদি গেজেট।

 

হজযাত্রীরা ৮ জিলহজ থেকে মিনায় অবস্থান করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। এই দিনটি ‘ইয়াওমুত তারভিয়া’ নামে পরিচিত। সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী এর আগেই অনেক দেশের হাজি, বিশেষ করে বাংলাদেশি হাজিরা মিনায় পৌঁছে যান।

 

এরপর ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) হাজিরা রওনা হবেন আরাফাতের উদ্দেশে। সেখানে তারা জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এই অবস্থানকেই হজের মূল রুকন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফায়ের উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং সেখানে রাতযাপন শেষে পরদিন মিনায় ফিরে শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনসহ হজের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পালন করবেন।

 

বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৮ লাখ মুসলমান এবারের হজে অংশ নিচ্ছেন। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭৮ হাজারের বেশি হজযাত্রী পবিত্র এ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছেন।

মিনায় পৌঁছাচ্ছেন লাখো হজযাত্রী, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মক্কা

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির ঘটনায় এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, নিরাপত্তা চৌকির কাছে এসে ওই ব্যক্তি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে পাল্টা গুলিতে তিনি নিহত হন। খবর, সিএনএন’র।

 

স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৬টার কিছু আগে হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের বাইরে একটি নিরাপত্তা চেকপয়েন্টের কাছে ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে সিক্রেট সার্ভিসের এক মুখপাত্র জানান, সন্দেহভাজন ব্যক্তি আচমকা কর্মকর্তাদের দিকে গুলি ছোড়েন।

 

পরে সিক্রেট সার্ভিস সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে ওই ব্যক্তি আহত হন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঘটনায় একজন পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি সন্দেহভাজনের গুলিতে নাকি পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির সময় আহত হয়েছেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই পথচারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 

ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো সদস্য আহত হননি। এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরে অবস্থান করছিলেন এবং তিনি নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

ঘটনার পরপরই হোয়াইট হাউস এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সংবাদকর্মীদের প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য লকডাউনে রাখা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা টানা বহু রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছেন।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা জানান, সিক্রেট সার্ভিস সদস্যরা ‘শটস ফায়ারড’ বলে চিৎকার করে সাংবাদিকদের দ্রুত হোয়াইট হাউস ব্রিফিং রুমে আশ্রয় নিতে বলেন। পরে অস্ত্রধারী নিরাপত্তা সদস্যদের হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে টহল দিতে দেখা যায়।

 

এদিকে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, এফবিআই ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং তদন্তে সিক্রেট সার্ভিসকে সহায়তা করছে।

 

ঘটনার কিছুক্ষণ আগে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ শুশি উইলস, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করতে দেখা যায়।

 

উল্লেখ্য, এর এক মাসেরও কম সময় আগে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সময় একই ধরনের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত কোল টমাস অ্যালেন ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

অহোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলি, সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে সন্দেহভাজন নিহত

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন।।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এবং ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, গভার্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে এবং তারা বিভিন্ন গণআন্দোলন ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে নিজেদের দাবি ও প্রত্যাশা প্রকাশ করছে।

 

নেপালের কাঠমান্ডু ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের পলিসি ল্যাবের উদ্যোগে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান : অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও গভর্নেন্সের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় বুধবার এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পলিসি ল্যাবের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সহকারী অধ্যাপক ড. লাল বাহাদূর পুন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ড. রাম নারায়ণ শ্রেষ্ঠ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সমভাবে বণ্টিত হচ্ছে না। সুশাসনের ঘাটতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

 

আলাউদ্দীন মোহাম্মদ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব না দিলে দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রগঠনসংক্রান্ত সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব হবে না।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচলিত ধারা পুনর্বিবেচনা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি

কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মোঃ সুজন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ সাঈদী এমপি মহোদয়ের মালয়েশিয়া আগমন উপলক্ষে কুয়ালালামপুরে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্তানবুল রিসোর্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি.এম. ইমদাদুল হক।

 

সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত আল রাওশা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী শেয়ারহোল্ডার, ব্যবসায়ী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী আলোচনা।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সম্মানিত পরিচালক (প্রশাসন) জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান এবং পরিচালক (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মোঃ আবু তাইব রাশেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বেলাল হোসেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডি. এম. এমদাদুল হক, তিনি তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানের হালাল ট্যুরিজম, পর্যটন শিল্পে আধুনিক বিনিয়োগ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ততা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে হলে সমন্বিত পরিকল্পনা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল ট্যুরিজম একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রবাসীদের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ ক্ষেত্রে Istanbul Hotel & Resort Limited একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী এমপি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আন্তরিক ভালোবাসা, সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাঁদের শ্রম, মেধা ও বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে পরিকল্পিত বিনিয়োগ, আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে Istanbul Hotel & Resort Limited দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হালাল ট্যুরিজম বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন Istanbul Hotel & Resort Limited-এর মালয়েশিয়া প্রবাসী শেয়ারহোল্ডারগণ।

কুয়ালালামপুরে আগমনে উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী এমপিকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রিয়জনদের কাছে ফিরছেন হাজারো মানুষ। তবে ঘরমুখো মানুষের ঢল আনন্দের চেয়ে ভোগান্তিই বেশি বয়ে আনছে। তীব্র যানজট ও বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে দেখা দিয়েছে যানজট। সন্ধ্যার পর থেকেই এ পথে বাড়তে থাকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। এতে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় পেরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বাইপাস পর্যন্ত যানজটের নাকাল হচ্ছে ঘরমুখী হাজার হাজার মানুষ।

 

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকে এ যানজটের চিত্র দেখা গেছে। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে চন্দ্রা বাস স্টেশন এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা গেছে। ধীরে ধীরে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত যানজট ছাড়িয়ে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত।

 

জানা গেছে, সন্ধ্যার পর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাকসহ ছোট বড় যানবাহন রাজধানী ঢাকা, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। এতে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় তীব্র জটলা সৃষ্টি হয়। যার ফলে সেখানকার যানজট ছাড়িয়ে গেছে জেলার ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত। এছাড়াও চন্দ্রার পর থেকে উত্তরের পথে বাড়ছে যানজট। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও শেষ হচ্ছে না সড়ক।

 

জানা গেছে, দিনভর এ জেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এলাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যানবাহন অবাধে ও নির্বিঘ্নে এ সড়ক পাড় হয়ে গেছে। তবে, রাত ৯টার পর থেকে কালিয়াকৈর থেকে মির্জাপুর অংশে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্ত যানজট রয়েছে।

 

চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় এক বাস চালক বলেন, এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার জায়গা এসেছি। চন্দ্রা এলাকা পার হতে পারলে রক্ষা পাই। যাত্রীরা অনেকেই যানজটে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

 

গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, শেষ মুহূর্তে মানুষ ও যানবাহনের চাপে পরিস্থিতি একটি বেসামাল হয়ে গেছে। তবে, সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত আমাদের পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা রয়েছে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ৪০ কিলোমিটার যানজটে ঈদযাত্রায় নাভিশ্বাস

বিগত সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দেশজুড়ে মহালুট করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে মানবিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কুইক রেন্টালের নামে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ থেকে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছে। বর্তমান সরকার এসব অনিময়, ‍দুর্নীতি বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সৌর বিদ্যুতে যাচ্ছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আমাদের রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে। এটা অব্যাহত থাকবে, বন্ধ হবে না।

 

এই ঘাটতি পূরণ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের সক্ষমতা অর্জন করতে আমাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে। আপনারা ঘরের চালে, ছাদে যে যেখানে পারেন ছোট ছোট করে সৌর বিদ্যুৎ করেন। সব সরকারের ওপর চাপাবেন না। আমরা বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নিচ্ছি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করব।

 

তিনি আরও বলেন, নরসিংদী জেলাকে নিয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে মনোহরদী বেলাবো এর এক ইঞ্চি রাস্তাও কাঁচা থাকবে না।

 

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী জুলাই মাসে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নেয়া হবে। তার মধ্যে ৮০ হাজার মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী নেওয়া হবে।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে বেলাবো উপজেলা পরিষদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বেলাবো উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ সারতাজ জায়েদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব ও ওসি এসএম আমানুল­সহ রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যাসিস্ট আ. লীগ সরকার দেশজুড়ে মহালুট করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

কাউন্দিয়া বাঁশীসহ দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ বিদ্যুৎ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীসহ সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদ বিদ্যুৎ।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা নিয়ে হাজির হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমেই এই ঈদের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।”

 

যুবদল নেতা রাশেদ বিদ্যুৎ কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দ ও ত্যাগের মানসিকতা যেন আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনে প্রতিফলিত হয়। আসুন, আমরা সবাই মিলে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে ভাগ করে নেই।”

 

তিনি কাউন্দিয়াবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুস্থ ও নিরাপদ জীবন কামনা করেছেন।

 

কাউন্দিয়া বাঁশীসহ দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা রাশেদ বিদ্যুৎ

কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল ইসলামের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নসহ দেশবাসীকে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আল ইসলাম।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় যুবদল নেতা মোহাম্মদ আল ইসলাম বলেন, “ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে প্রতিবছর ঘুরে আসে। এই ঈদ আমাদের শেখায় পারস্পরিক সহমর্মিতা, ত্যাগ ও সৌহার্দ্য। ঈদের আনন্দ যেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে, এটাই আমাদের কাম্য।”

 

তিনি আরও বলেন, কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশের সকল মুসলিম ভাই-বোনদের জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা। উৎসবের এই দিনগুলো সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

 

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং সকলের কোরবানি যেন মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হয় সেই দোয়া করেন।

ঈদ মোবারক!

কাউন্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল ইসলামের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা

কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন জননেতা দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

ঢাকা: ত্যাগ ও মহিমার আমেজে সারা দেশের ন্যায় আগামীতে উদযাপিত হতে যাচ্ছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এই আনন্দঘন মুহূর্ত উপলক্ষে কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন অত্র ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী আলহাজ্ব দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,

“ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ, আত্মোৎসর্গ এবং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হতে শেখায়। আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও আনুগত্যের যে অনুপম দৃষ্টান্ত হযরত ইব্রাহিম (আঃ) স্থাপন করে গেছেন, তা আমাদের জীবনে প্রতিফলিত করাই হোক এই ঈদের মূল লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, কাউন্দিয়া ইউনিয়নের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও অবহেলিত জনপদকে একটি আধুনিক, উন্নত এবং মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করাই তার মূল লক্ষ্য। ঈদের এই আনন্দ যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তিনি সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি কাউন্দিয়াবাসীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং সবাইকে কোরবানি পরবর্তী সময়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

 

“সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা — ঈদ মোবারক!”

কাউন্দিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন জননেতা দেওয়ান আব্দুল হাই কোম্পানি

গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে ৫৫৫ শিশুর প্রাণ গেল। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১১৩৬ জন।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে একজন ও সন্দেহজনক হাম রোগে নয়জন মারা গেছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৮৮ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৪৬৭।

হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১০ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৫৫

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন যমুনা টেলিভিশনের মুখোমুখি হয়ে এই সরকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ থাকার বিষয়টি সামনে আনেন। যা নিয়ে আগে থেকেই কানাঘুষা ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে।তৌহিদ হোসেনের এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কারা ছিলেন ‘কিচেন কেবিনেটের’ সদস্য? অনেকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলছেন ছাত্র নেতা থেকে উপদেষ্টা বনে যাওয়া আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দিকেও।

 

তবে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেন, তিনি কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলেন না।

 

তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যের আরও বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

তার দাবি, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সাথেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপিয়েছে। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

 

রাজনীতি, কূটনীতি পেরিয়ে ক্রিকেট পাড়াকেও টেনে আনলেন সাবেক এই ক্রীড়া উপদেষ্টা। অভিযোগ করেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল।

কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না: আসিফ মাহমুদ

ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাভার পৌর যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ মিয়া

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাভার পৌর যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ মিয়া।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ, আত্মত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার মহান শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর ত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করেই মুসলিম উম্মাহ এই পবিত্র ঈদ উদযাপন করে থাকে। এই ঈদ আমাদের মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ঈদের আনন্দ শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়াই হোক ঈদের প্রকৃত শিক্ষা। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

রুবেল আহমেদ মিয়া বলেন, “আমি দেশবাসীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। পবিত্র ঈদুল আযহার শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনুক। সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা যেন একটি সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে একসাথে কাজ করতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে সবাইকে নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করছি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের কোরবানি কবুল করুন এবং দেশকে সকল সংকট থেকে রক্ষা করুন।”

শেষে তিনি আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “ঈদ মোবারক।”

ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাভার পৌর যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ মিয়া

খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর কালশী এলাকার বস্তির বাসিন্দারা।

 

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ঝুম বৃষ্টিতে বস্তিবাসী আশ্রয় নেয় কালশী ফ্লাইওভারের নিচে।

 

সোমবার (২৫ মে) কালশী এলাকার বস্তিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ ঘটনায় হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া না গেলেও রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সহায়তা পায়নি বলে জানিয়েছে বস্তির বাসিন্দারা।

 

তারা বলছেন, গতকাল রাতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এসে আশ্বাস দেয়ার পর এ পর্যন্ত আর কেউ দেখা করতে আসেনি।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকার যেন পুনর্বাসনের জন্য সহায়তা করে। আশ্বাসে নয়, এর বাস্তবায়ন চায় তারা।

 

এদিকে, আজ দুপুরের দিকে একটি সংস্থা থেকে ৩শ’ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

খোলা আকাশের নিচে কালশী বস্তিবাসী, বৃষ্টিতে হাহাকার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d